রাসুলুল্লাহর (সা) মর্যাদা ও আমাদের করণীয়

আল্লাহ বলেছেন,

“যখন আল্লাহ ও তাঁর রসূল কোনো বিষয়ের ফায়সালা দিয়ে দেন, তখন কোনো মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর সেই ব্যাপারে নিজে ফায়সালা করার কোনো অধিকার নেই৷ আর যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আদেশ অমান্য করে সে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত হয়৷” (১)

এখানে একটা কথা আল্লাহ একদম ক্লিয়ারলি বলে দিয়েছেন। প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতা! কি ভয়াবহ ঘোষণা! আল্লাহর আদেশসমূহ, যেমন পাঁচ ওয়াক্ত সলাত আদায় করা, সিয়াম আদায় করা, ছেলে মেয়ের মাঝের পর্দার বিধান মানা, সুদী কারবারে কোনভাবেই জড়িত না থাকা, ইসলামের জ্ঞান অর্জন করা, হজ্জ, যাকাত আদায় করা ইত্যাদি আদেশ যদি আমি না মানি তাহলেই আমি পথভ্রষ্ট। ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত। কারণ, এগুলো আল্লাহর আদেশের সরাসরি অবাধ্যতা। এটা চোখ বুজে বলে দেয়া যায়। আমরা যারা আল্লাহর আদেশগুলো মানি না, মানতে চাইনা, নানান অজুহাত দেই, আজ নয়, আগামীকাল থেকে করবো ভাবি, লজিক দাঁড়া করাই এগুলোর বিরুদ্ধে, তারাই তো পথভ্রষ্ট। যদি এখুনি অনুতপ্ত হয়ে, লজ্জিত হয়ে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে আল্লাহর পথে ফিরে না আসি আর উনার আদেশ না মানি এবং পাঁচ মিনিট পরে মারা যাই, তাহলে কি আমি আল্লাহর আদেশ অমান্য করতে থাকা অবস্থায় বিদায় নেবো না? পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবোনা?

এটাতো গেলো শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশের অবাধ্যতার কথা। আল্লাহ বলে দিয়েছেন শুধু আল্লাহর আদেশ অমান্যকারীরা নয়, রাসুল(সা)র আদেশ অমান্যকারীরাও পরিস্কারভাবেই পথভ্রষ্ট। এক্কেবারে “প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট” বলে আল্লাহ বলে দিয়েছেন। কোন লুকাছাপা রাখেননি তিনি আমাদের প্রকাশ্য পথভ্রষ্টতার কথা জানিয়ে দিতে। অথচ এই অজ্ঞ আমরা রাসুল(সা)র আদেশকে থোড়াই কেয়ার করি। রাসুল(সা) কিছু ব্যাপারে তাঁর ফলোয়ারদের সরাসরি আদেশ করেছেন, যেগুলো আজকের সমাজে আমরা পাত্তাই দেইনা। অথচ সেগুলো না মানলেও যে আমি আপনি পথভ্রষ্ট হিসেবেই চিহ্নিত হবো সেটা শেষ বিচার দিবসের মালিক আল্লাহই ক্লিয়ারলি বলে দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমাদের রসুল(সা) আমাদেরকে দাড়ি রাখতে স্পষ্ট আদেশ করেছেন। ৪০বছর বয়সের পর, চাকরী পাওয়ার পর, বিয়ে-শাদীর পরে বা মরার ঠিক আগে আগে দাড়ি রাখতে তিনি বলেননি। ফ্রেঞ্চকাট বা চাপদাড়ির ডিজাইনের কথাও তিনি বলেননি। তাছাড়া আমি কবে মরে যাবো তাও তো আমি জানিনা। বুড়ো হয়ে, দাড়ি রাখার সুযোগ পেয়েই যে মারা যাবো সেই গ্যারান্টি কি আমি নিয়ে এসেছি?

আমাদের রাসুল(সা) স্পস্টভাবে আদেশ করেছেন, “গোঁফ ছোট করে ছেটে রাখো, আর দাড়িকে ছেড়ে দাও।” (২)

তিনি যে এখানে রেজরের নিচে বা কাঁচির নিচে দাড়িকে ছেড়ে দেয়ার আদেশ করেননি সেটা রোদের আলোর মতোই স্পষ্ট।

আরেকটা হাদীস পড়লে আমরা আরো ক্লিয়ার হয়ে যাবো।

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, পারস্যের সম্রাট কিসরা ইয়েমেনের শাসকের মাধ্যমেরাসুলুল্লাহর(সা) কাছে দু’জন এম্বাসেডর পাঠান। এদের দাড়ি ছিলো কামানো আর গোঁফ ছিলোবড় বড়। রাসুলুল্লাহ(সা)র কাছে তাদের এই অবয়ব এতই কুৎসিত লেগেছিলো যে, তিনি মুখ অন্যদিকে ঘুরিয়ে বলেন,

 

“তোমাদের ধ্বংস হোক, এমনটি তোমাদের কে করতে বলেছে?”

 

তারা উত্তর দিলো, “আমাদের প্রভু কিসরা।”

 

তিনি তখন বললেন, “আমার পবিত্র ও সম্মানিত রব্ব আদেশ করেছেন, দাড়ি ছেড়ে দিতে ওগোঁফ ছোট রাখতে।” (৩)

খেয়াল করে দেখুন, এখানে আল্লাহর জন্য “আদেশ” শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। আল্লাহর অবাধ্যতায় মগ্ন হওয়ার সময় আমাদের মনে রাখা উচিৎ, আল্লাহর একটি মাত্র আদেশের অবাধ্যতা করে শয়তান জান্নাত থেকে বিতাড়িত হয়েছিলো।

চার মাজহাবের শ্রেষ্ঠ চার ইসলামি স্কলার ইমাম আবু হানিফা(রহ), ইমাম মালিকি (রহ), ইমাম শাফিয়ী (রহ) আর ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল (রহ) কি বলেছেন জানেন? তাঁরা স্পষ্ট বলে দিয়েছেন দাড়ি কাটাহারাম

আমাদের সমাজে অনেক বিশিষ্ট এবং (অনেকের) অনুসরণীয় ব্যক্তিবর্গকে দেখবেন দাড়ি চেঁছে ফেলে পুরা গাল চকচকে বানিয়ে ফেলেন। অনেকে আবার সাথে বড়বড় গোঁফ রাখেন। অথচ এটাতো স্পষ্ট রাসুলের(সা) বিরোধীতা। আমরা যেন তাদের অনুসারী না হয়ে, একমাত্র শ্রেষ্ঠ আর অনুসরণীয় মানব মুহাম্মদ(সা)র অনুসারী হই এবং তাঁর আদেশ অমান্য করে “প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট”দের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে যাই।

শুধু দাড়ি রাখার কথা বললে আজ আর লেখা শেষ হবেনা। তিনি আরো অনেক আদেশ ও নিষেধ করে গেছেন সেগুলোকেও জানতে হবে, এবং মানতে হবে। যেমন, তিনি মিথ্যা বলতে নিষেধ করেছেন, এমনকি ফান করেও মিথ্যা বলতে মানা করেছেন। উনার হাদীস থেকে আমরা জানি উনি নিজেও বেশ মজা করতেন। কিন্তু তাঁর একটাতেও অনর্থক কথা-বার্তা বা মিথ্যা খুঁজে পাওয়া যায়না। তিনি মিথ্যাকে এতই ঘৃণা করতেন। অথচ আমরা কথা-বার্তায় আড্ডাবাজিতে স্রেফ মজা করার জন্যে কতই না মিথ্যে বলি অনর্গল। আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন এবং তাঁর পথে চলা সহজ করুন।

তিনি আমাদের পায়ের গোড়ালির নিচে জামা পড়তে কঠিনভাবে নিষেধ করেছেন, অথচ আমাদের কাপড় গোড়ালি পেরিয়ে মাটির ধুলাবালি পরিস্কার করে। বিদ’আত (দ্বীনের মাঝে নতুন কিছু, যা তিনি করেননি এরকম কিছু) করতে নিষেধ করেছেন। ন্যায় কাজের আদেশ করতে আর অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করতে আদেশ করেছেন। অথচ আজ আমরা ইসলামের সত্য নিয়ে কথা বলতে লজ্জা পাই, অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে, দাঁড়াতে ভয় পাই। কাপুরুষের জীবনকে আমরা বেছে নিয়েছি, সম্মানিত জীবনের পরিবর্তে। কাকে ভয় করি আমরা? দুনিয়াকে নাকি আল্লাহকে?

তিনি সুদ খেতে কড়াভাবে নিষেধ করেছেন, এমনকি সুদী কারবারে জড়িত থাকতেও মানা করেছেন। মাদক নিতে মানা করেছেন, অথচ সিগারেট ছাড়তে আমাদের কলিজা ছিঁড়ে যায়। স্ত্রীর প্রতি স্বামী আর স্বামীর প্রতি স্ত্রীকে “অসাধারণ” হতে বলেছেন, ভূলেও আব্বু আম্মুকে কষ্ট দিতে মানা করেছেন। মুসলিমদের সাথে বিনয় আর নম্রতার সাথে ব্যবহার করতে আদেশ করেছেন। সেটাই করতে হবে, যদিও সেই মুসলিম রিকশাওয়ালা বা এই সেক্যুলার সমাজের নিচুস্তরের কেউ হয়। প্রতিবেশির হক আদায় থেকে শুরু করে যে ব্যক্তি শাসক হতে চায় তাকে শাসক হিসেবে নির্বাচিত না করার আদেশ, এভাবে জীবনের  প্রতিটা ক্ষেত্রেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ অনেক আদেশ করে গেছেন। তাঁর আদেশগুলো আমাদের মানতেই হবে। নইলে আল্লাহর কথামতোই আমরা “প্রকাশ্য পথভ্রষ্ট”দের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।

এতোদিন কি তবে ভূল পথে হেঁটেছি? আমার কি তবে আর রক্ষা নেই? আমিতো সলাত আদায় থেকে শুরু করে দাড়ি রাখা, কিংবা পর্দার বিধান থেকে শুরু করে পায়ের গোড়ালির উপরে জামা পরা, একেবারে প্রতিটা ক্ষেত্রেই আল্লাহর আর তাঁর রাসুলের(সা) সরাসরি অবাধ্যতা করি। রাসুলকে(সা) নিজের জীবনের চেয়ে কি আমি বেশি ভালোবাসি? নাকি নিজেকে, নিজের ক্যারিয়ারকে? জানিনা। কিভাবে জানবো? উনার জীবনীই তো কোনদিন ভালোভাবে মন দিয়ে পড়া হয়নি। উনাকেই তো চিনিনা, ভালোবাসবো কি করে? উনার আদেশ মানবো কিভাবে যদি উনার গুরুত্ব আর উনার আদেশের গুরুত্বই না বুঝি? তাই জানিনা, মানিওনা। হায়! আমিতো তবে প্রকাশ্য পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত। আমারতো ধ্বংস সুনিশ্চিত। আমার তো তাহলে আর কোন আশা নেই। আমার তাহলে কি হবে?

না। ভূল কথা। আশা আছে। তবে, এক্ষুনিই ফিরে আসতে হবে। এতদিনের ভূলের ভয়াবহতা বুঝতে হবে। মনেপ্রাণে অনুতপ্ত হতে হবে। ফিরতে হবে আল্লাহ আর রাসুলে(সা)র অবাধ্যতা থেকে। জানতে হবে কে আমাদের রাসুল(সা)। তাঁর জীবনী জানতে হবে। পড়তে হবে তাঁর জীবনী নিয়ে রচিত বিশুদ্ধতম সীরাতসমূহ। শুনতে হবে তাঁকে নিয়ে, তাঁর সীরাত নিয়ে আলোচনা করা লেকচারগুলো। এতে করে তাঁকে আমরা চিনতে পারবো। জানতে পারবো এই অসাধারণ মানুষটা নবী হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে কিভাবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে আর আমাদের কল্যাণের জন্যে নবুওয়্যাত পরবর্তী জীবনে কী দুঃসহ যন্ত্রণার মধ্য দিয়েই না গেছেন। কত্ত অজস্র স্যাক্রিফাইস করে গেছেন শুধু আমাদের ভালোর জন্যে, আমাদের মঙ্গলের জন্যে। তাঁর বলে যাওয়া কথা আর আদেশগুলো (যেগুলো আমরা হাদীসে পাই) জানতে হবে। সীরাত পড়ার পর, শোনার পর, এই অসম্ভব সুন্দর মানুষটাকে চেনার পর, তাঁর বলে যাওয়া প্রতিটা শব্দের সাথে আমাদের অদ্ভুত ভালোবাসার একটা সম্পর্ক তৈরী হয়ে যাবে। সেগুলো মানতে আর কক্ষণো কোন কষ্টই হবেনা। বরং আরো জানতে ইচ্ছে হবে। ইচ্ছে হবে এই মানুষটার মতো অসাধারণ হতে।

কুরআন আর সুন্নাহ আমাদেরকে মনেপ্রাণে গেঁথে নিতে হবে। পালন করতে হবে। কষ্ট হলে চেষ্টা করতে হবে। তবুও আল্লাহর দ্বীনের রশি আমাদেরকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরতেই হবে। দাঁত দিয়ে কামড়ে রেখে হলেও আঁকড়ে থাকতে হবে।

তাহলেই আমাদের আশা আছে। তাহলেই আশা করা যায়, আমাদেরকে আল্লাহ কবুল করে নেবেন। আশা করা যায়, আমরা সফলদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবো।

আল্লাহ বলেছেনঃ

“(হে নবী,) বলে দাও, হে আমার বান্দারা, যারা নিজের আত্মার ওপর জুলুম করেছো, আল্লাহররহমত থেকে নিরাশ হয়ো না৷ নিশ্চিতভাবেই আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেন৷ তিনিক্ষমাশীল ও দয়ালু৷

 

ফিরে এসো তোমারে রবের দিকে এবং তাঁর অনুগত হয়ে যাও তোমাদের ওপর আযাব আসারপূর্বেই৷ তখন কোন দিক থেকেই আর সাহায্য পাওয়া যাবে না৷  

 

আর অনুসরণ করো তোমাদের রবের প্রেরিত কিতাবের সর্বোত্তম দিকগুলোর- তোমাদের ওপরআকস্মিকভাবে আযাব আসার পূর্বেই- যে আযাব সম্পর্কে তোমরা অনবহিত থাকবে৷

 

এমন যেন না হয় যে, পরে কেউ বলবেঃ “আমি আল্লাহর ব্যাপারে যে অপরাধ করেছি সে জন্যআফসোস৷ বরং আমি তো বিদ্রূপকারীদের মধ্যে শামিল ছিলাম৷”

 

অথবা বলবেঃ “কতই না ভাল হতো যদি আল্লাহ আমাকে হিদায়াত দান করতেন৷ তাহলে আমিওমুত্তাকীদের অন্তর্ভুক্ত থাকতাম৷”

 

কিংবা আযাব দেখতে পেয়ে বলবেঃ “কতই না ভাল হতো যদি আরো একবার সুযোগ পেতামতাহলে নেক আমলকারীদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যেতাম৷”

 

(আর সে সময় যদি এ জওয়াব দেয়া হয়) কেন নয়, আমার আয়াতসমূহ তোমার কাছেএসেছিলো৷ কিন্তু তুমি তা অস্বীকার করেছিলে এবং গর্ব করেছিলে৷ আর তুমি তো কাফেরদেরঅন্তর্ভুক্ত ছিলে৷

 

আজ যেসব লোক আল্লাহর প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছে কিয়ামতের দিন তুমি দেখবে তাদেরমুখমণ্ডল হবে কালো৷ অহংকারীদের জন্য কি জাহান্নামে যথেষ্ট জায়গা নেই?

 

অন্যদিকে যেসব লোক এখানে তাকওয়া অবলম্বন করেছে, তাদেরকে আল্লাহ তাদের সাফল্যেরপন্থা অবলম্বনের জন্যই নাজাত দেবেন৷ কোন অকল্যাণ তাদেরকে স্পর্শ করবে না এবং তারাদুঃখ ভারাক্রান্তুও হবে না৷

 

আল্লাহ সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা এবং তিনিই সবকিছুর রক্ষক৷” (৪)

১৭ রামাদান, ১৪৩৫ হিজরী।

———————————————————————————

(১) সুরা আল আহযাবঃ ৩৬

(২) সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম ও অন্যান্য

(৩) ইবনু জারির আত-তাবারি, ইবন সা’দ ও ইবন বিশরান দ্বারা নথিকৃত। আল-আলবানি একে হাসান বলেছেন।

(৪) সুরা যুমারঃ ৫৩-৬২

Advertisements

About মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর

আমি মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর। একাডেমিক পরিচয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন বায়োটেকনোলজিস্ট। আগ্রহ বিজ্ঞানে এবং গবেষণায়। তারচেয়েও বেশি পড়ানোয়। নৈতিক এবং আদর্শিক জীবনে একজন মনেপ্রাণে মুসলিম। নাস্তিকতা ছেড়ে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতা’আলার অশেষ করুণা আর দয়ায় ইসলামের আলো চিনে এ পথে আসতে পেরেছি ২০১২ তে। এখন শিখছি। আরো বহু দূর পথ পাড়ি দিতে হবে জানি। অনন্তের জীবনের পাথেয় কুড়োতে বড্ড দেরী করে ফেলা একজন দূর্ভাগা হিসেবে নয়, বাঁচতে চাই সোনালি দিন গড়ার প্রত্যয়ে। ক্ষণিকের বালুবেলায় যে কটা মুক্তো কুড়োতে পারি সেই তো আমার লাভের খাতার শব্দমালা। হাঁটার পথে একটা দুটো মুক্তোর কথা, উপলব্ধির কথা লিখবো বলে এখানে পতাকা পুঁতেছি। আমি থাকবোনা একদিন। আমার খুঁজে পাওয়া কিছু মুক্তো হয়তো থেকে যাবে জন্ম থেকে জন্মান্তরে। হয়তো হবে কারো আলোর মশাল। আর সে আগুন ছড়িয়ে যাবে সবখানে।
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s