হৃদয়ের অবাধ্যতা

#১
যে হৃদয় একবার তার প্রতিপালকের অবাধ্যতায় নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছে, এবং জেনেশুনে, বুঝেও ডুবিয়েই রাখছে, সে হৃদয়ের জন্যে সাঁতরে বেঁচে আসা বড়ই কঠিন। বস্তুতঃ সে হৃদয় আজীবন নিজের খেয়াল আর খুশিরই ইবাদাত করতে চায়, আল্লাহর নয়।
.
জাস্ট দু’টো উদাহরণ দিই। নারী আর পুরুষ দু’দলকে নিয়েই।
শুধুমাত্র পর্দার ব্যাপারটাই ধরা যাক।
.
#২
প্রথমে আমাদের সম্মানিত নারীদের কথা বলি।
.
ইসলাম ছেলেদের আর মেয়েদের আলাদা আলাদা দায়িত্ব দিয়েছে। যে কাজে যে পারদর্শী, যে কাজে যে বেস্ট, তাকে সেই কাজ করার মাধ্যমে অসীম মর্যাদার অধিকারী হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। ইসলাম মেয়েদের বলেছে পর্দা করতে। কিরকম পর্দা করবে, কিভাবে পর্দা করবে মেয়েরা? আমরা আজকের পুরুষরা যেরকম চাই অবশ্যই সেইরকম নয়। বরং যেভাবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাদের আদেশ করেছেন আর সেই আদেশের প্রতিফলন হিসেবে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে শিখিয়েছেন সেইভাবে। আল্লাহর আদেশ আর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শিক্ষা সবচেয়ে বেশি কারা গুরুত্ব দিতেন, এবং ঠিকভাবে, পরিপূর্ণভাবে মেনে চলতেন? অবশ্যই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী, কন্যা এবং তৎকালীন মেয়ে সাহাবীরা। সেইজন্যে আমাদের তাকাতে হবে পর্দার বিধান নাযিল হওয়ার পর তাঁরা কে কিভাবে পর্দা পালন করতেন সেইদিকে।
.
অনেকে নিজের মাথায় আসা আইডিয়া আর চিন্তা চেতনার ইবাদাত করেন। তারা ইসলামকে নিজের সুবিধামত মানেন, বদলে নেন। ইসলামের জন্যে তাঁরা নিজেকে বদলাতে রাজী নন। কারণ, অভ্যাস! হৃদয়কে আল্লাহর অবাধ্যতায় অভ্যস্ত করে তুলেছেন তারা। তারা পর্দার বিধান আদেশ হিসেবে আসার পূর্বের নারীদের জীবনধারাকে অনুসরণ করার কথা বলেন। অনেকে আবার নিজের মাথার আইডিয়ার পুজো করে বলেন, পর্দার বিধান শুধুই নবীর স্ত্রীদের জন্যে এসেছে, বাকিদের জন্যে নয়। তাদের বলবো, হযরত ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুমা, যিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদরের রাজকন্যা ছিলেন এবং যিনি জান্নাতি মর্যাদাবান নারীদের লীডার, তিনি কিভাবে পর্দা করেছেন সেটা অনুসরণ করার জন্যে। তাঁর সম্মানিত জীবনের ফোয়ারা থেকে এক ফোঁটা আলো দেয়ার জন্যে বলি, তিনি সেই মানুষ, যিনি অনুরোধ করে গিয়েছিলেন, মৃত্যুর পর তাঁর দাফন কাজ যেন রাতের বেলা চুপিসারে সম্পন্ন করা হয়। আশ্চর্য তো! কেন? কারণ, এতে করে তাঁর লাশের উপরে দেয়া কাফনের কাপড় ভেদ করে তাঁর শারিরীক অবয়ব পুরুষদের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সুযোগ থাকবে না। যিনি ছিলেন সবচাইতে সম্মানিত নবীর আদরের দুলালী, যিনি হচ্ছেন জান্নাতের নারীদের লীডার, যিনি পৃথিবীর বুকে এ যাবৎ আসা সবচাইতে সফলতম নারী, তিনি নিজ হাতে যাঁতা পিষে গম গুঁড়ো করতে করতে হাতে ফোস্কা ফেলে দিয়েছেন, তিনদিন না খেয়ে থাকার পরেও তিনি দারিদ্র্যের বা চাহিদার দোহাই দিয়ে বাইরে পরপুরুষদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জব খুঁজতে বের হননি। বাইরের জব আর টাকা পয়সাকে নয়, নিজেকে দেখিয়ে দেয়াতে নয়, বরং ইসলামের সৌন্দর্যে নিজেকে সৌন্দর্যমন্ডিত করাতে সাফল্য খুঁজে পেয়েছেন, এবং আসলেই সফল হয়েছেন, তাঁর জীবনি অনুসরণ করেই আজকের নারীরা সত্যিকারের সফল হয়ে যেতে পারবেন।
.
অবশ্য যারা একবার আল্লাহর অবাধ্যতায় হৃদয়কে ডুবিয়ে দিয়েছেন আর সমাজের নিয়মের পুজোতে অভ্যস্ত হয়েছেন, তাদের জন্যে এই বিধানগুলো হয়তোবা কেবলই অত্যাচার হয়ে ধরা দেবে। হে আল্লাহ, এইসব চিন্তাধারার অনুসারীদের ক্ষমা করুন এবং হিদায়াত দিন।
.
#৩
এবার মহান, বলীয়ান পুরুষদের কথা বলি।
.
আমরা নারীদের পর্দা নিয়ে কথা বলে বেশ সুখ পাই। বস্তুতঃ আমাদের পুরুষদের ইসলামিক পড়াশোনায় কোনভাবে নারীদের কথা এলে সেটা উল্লেখ না করা পর্যন্ত আমাদের বেশ চুলকাতে থাকে। চুলকানীর একটা ইন্টারেস্টিং দিক আছে। যতক্ষণ চুলকানো হয় ততক্ষণই মজা লাগতে থাকে, আরাম লাগে। বিশেষ করে মেয়েরা কেন পর্দা মানে না, কেন পরিপূর্ণ পর্দা করে না, এই নিয়ে আমাদের চুলকানী দিবা-রাত্রী। চুলকাতে চুলকাতে ঘা হয়ে গেছে, পঁচে তীব্র গন্ধ বেরুচ্ছে, তবু থামার নাম নেই। ভাইরে, থামেন! একবার বুঝিয়ে বলেছেন, দুইবার বলেছেন, তিনবার বুঝিয়েছেন, বুঝাচ্ছেন তো বুঝাচ্ছেনই। খুব ভালো। আমি আপনার এফোর্টকে এপ্রিশিয়েট করি।
.
নিজের স্ত্রী, কন্যা আর বোনকে আন্তরিকভাবে অবশ্যই আপনি বুঝাবেন, বুঝাতে হবে। না হলে এরাই তো বিচারের দিন আপনি বুঝাননি বলে আপনাকে জাহান্নামে ফেলে দেয়ার কারণ হয়ে যাবে। তাই অবশ্যই বুঝাবেন। পাশাপাশি একটা কথা। নিজের হিসেবের কথা মনে আছে তো? আপনার কবরে কিন্তু আপনি একলাই শুয়ে থাকবেন। আপনার বিচারের সময় আপনি একলাই দাঁড়াবেন। সেই দুঃসহ ভাইভাতে করা প্রশ্নগুলির উত্তরে যখন মিথ্যে বলবেন, তখন আপনার মুখ বন্ধ করে দেয়া হবে, আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোই কথা বলে সাক্ষী দিবে আপনার বিপক্ষে। আপনাকেও তো আল্লাহ পর্দার বিধান দিয়েছেন। কই? মনে পড়ছে না? খুঁজে দেখুনতো ভালো করে। যে আয়াতে মেয়েদের পর্দার কথা বলা হয়েছে, সেই আয়াতের শুরুতে ছেলেদের পর্দার কথা বলা হয়েছে।
.
হ্যাঁ।
.
আগে আপনাকে পর্দা করতে বলেছেন আল্লাহ, তারপর মেয়েদের। “মেয়েরা পর্দা করে না, তাই আপনি হাঁ করে তাদের দিকে তাকিয়ে লোল ফেলেন”, “ওরা দেখায়, তাই আপনি দেখেন” ফ্রেন্ডসদের সামনে আওড়ানো এই যুক্তিগুলো আল্লাহর সামনে দিতে পারবেন? বুকে হাত দিয়ে বলেনতো? পারবেন না। আপনি জানেন আপনি দোষী। আপনার হিসেব নিকেশ করার জন্যে আপনাকেই বিচারকের দায়িত্ব দেয়া হলেও আপনিই দোষী সাব্যস্ত হবেন, যদি সৎ ভাবে বিচার করেন। নন-মাহরামকে আপনি মেসেজ পাঠান, চ্যাট করেন ফেইসবুকে। বাহ! পর্দা যে আপনার জন্যেও এসেছে, আপনার জন্যেও যে পর্দার “আদেশ” এসেছে সেটা আপনি ভুলে যান, নিজের জীন্দেগীতে এপ্লাই করতে চান না। নিজের কদর্য অভ্যাস, খেয়াল খুশি আর অন্তরের খায়েশের পুজোতে ডুবে আপনি কাকে অস্বীকার করছেন? আল্লাহকেই নয় কি? আপনাকে আল্লাহ চোখ সংযত করতে বলেছেন। শুধু বলেননি, আদেশ করেছেন। প্রভুর আদেশ কি দাস অমান্য করে? অমান্য করতে পারে? আপনি কি জেনেশুনে তাঁর আদেশের অবাধ্য হয়ে তাঁকে প্রভু হিসেবে অস্বীকার করছেন না তো? যদি তা না হয়, তাহলে রাস্তায় আপনার চোখ আকাশে বাতাসে থাকে কেন? রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া মুসলিম-অমুসলিম মেয়ে থেকে শুরু করে, টিভি, নাটক, সিনেমার মেয়েটাকেও আপনি হা করে দেখেন। এমনকি বিলবোর্ডের ছবির মেয়েটাকেও আপনার নোংরা চোখের জিহবা ছেড়ে দেয় না। কেন? আপনি না নিজেকে মুসলিম বলেন? ছিহঃ
.
এক কাজ করবেন প্লিজ। নিজের আম্মু, স্ত্রী বা বোনকে নিয়ে একদিন রাস্তায় বের হন। তারপর চারপাশের পুরুষগুলোর চোখের দিকে তাকিয়ে থাকুন খুব খেয়াল করে। ভালো করে খুঁটিয়ে দেখুন, ঐ চোখগুলো আপনার আম্মু, আপু, স্ত্রী বা ছোট বোনের দিকে কিভাবে তাকায়, কি দেখে, কিভাবে দেখে। সত্যিই এই কাজটা একবার করে দেখবেন। প্লিইইজ। জানোয়ারগুলো চোখ উপড়ে ফেলতে ইচ্ছে হবে আপনার। রক্ত গরম হয়ে দাঁত কিড়মিড় কিড়মিড় করবে। ভেবে দেখুন, আপনিও যাদের দিকে এইভাবে তাকান তাঁরা, সেইসব নারীরা, আপনারই কোন ভাইয়ের আম্মু, আপু বা স্ত্রী। হয়তো আজ তাঁরা ইসলাম বুঝছেন না, তাই জানছেন না, ফলে মানছেন না। আর সেই হিসেব তাঁরা নিজেরাই আল্লাহকে দিবেন। কিন্তু আপনি? আপনিও কি সব জেনেশুনে ঐ জানোয়ারদের একজন নন? যাদের চোখ আপনার উপড়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়? সুরা ইসরার ৩২ নং আয়াতে আল্লাহ আমাদের যিনার আশেপাশেও যেতে নিষেধ করেছেন। আবারো বলছি, আশেপাশেও যেতে মানা করেছেন। চোখের দৃষ্টি সংযত না করে তো আপনি চোখের যিনা করছেন। যিনার আশেপাশেও যেতে মানা করেছেন আল্লাহ, আদেশ করেছেন আপনাকে, আর আপনি যিনা করছেন তো করছেনই। নিজের চোখকে সংযত করতে না পারলে প্লিজ রাস্তায় যাবেন না। বের হবেন না ঘর থেকে। সেটাই আপনার অসুস্থ অন্তরের সুস্থতা আর আখিরাতে পরিত্রাণের জন্যে সহায়ক হবে ইনশাল্লাহ।
.
অবশ্য আপনি যদি একবার আল্লাহর অবাধ্যতায় হৃদয়কে ডুবিয়ে দিয়ে থাকেন আর সমাজের নিয়ম আর নিজের প্রবৃত্তির পুজোতে অভ্যস্ত হয়ে থাকেন, আপনার জন্যে এই বিধানগুলো হয়তোবা কেবলই অত্যাচার হয়ে ধরা দেবে। আল্লাহ এইসব চিন্তাধারার অনুসারীদের ক্ষমা করুন এবং হিদায়াত দিন।
.
#৪
এই অন্ধকার সমাজের অনেকেই মনে করেন, বিয়ে করলেই এইগুলো ঠিক হয়ে যাবে।

হাহ!

যে মানুষটা বিয়ের আগে আল্লাহকে চিনতে পারেনি, আল্লাহর নিয়ামাতে ডুবে থেকেও আল্লাহকে জানতে পারেনি, এই তথ্য-প্রযুক্তির সহজলভ্যতার যুগেও জানতে চায়নি আল্লাহকে, ভালোবাসতে পারেনি, সময় দেয়নি আল্লাহকে, অন্যায় করেও আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করেনি, সেই মানুষটা বিয়ের পর কোন জাদুতে বদলে যাবে বলতে পারেন? সেই মানুষটাই যে বিয়ের পরে উল্টো নিজের সাথীকেই ইসলামের পথে হাঁটা হতে সরিয়ে দেবেন না, তার গ্যারান্টি আপনাকে কে দিয়েছে?
.
পর্দার বিধানে পুরুষ এবং নারী, উভয়কেই নিজের সবচেয়ে বড় দূর্বলতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে বলা হয়েছে। এখানে কারো যুদ্ধই কারোটার চাইতে কম নয়। নারী আর পুরুষকে আলাদা আবেগ দিয়ে, আলাদাভাবে আলাদা দূর্বলতা দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে। কাজেই, তাদের মাঝে তুলনা করার তো প্রশ্নই আসে না।
.
কথাগুলো নিজেকেই বলা, মনে করিয়ে দেয়া। একটা কথা লেখা হলে সেটা বারবার পড়া হয়, নিজেকে নিজেই স্মরণিকা দেয়া হয়। এই লেখাটা সবার আগে তাই ভুলোমনা, আর গুনাহর সাগরে নিমজ্জিত আমার জন্যে। আমার নিজের জন্যে। আরেকবার মনে করিয়ে দিইঃ
.
যে হৃদয় একবার তার প্রতিপালকের অবাধ্যতায় নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছে, এবং জেনেশুনে, বুঝেও ডুবিয়েই রাখছে, সে হৃদয়ের জন্যে সাঁতরে বেঁচে আসা বড়ই কঠিন। বস্তুতঃ সে হৃদয় আজীবন নিজের খেয়াল আর খুশিরই ইবাদাত করতে চায়, আল্লাহর নয়।
.
সাঁতরে বেঁচে আসার চেষ্টা করতে হবে। করে যেতে হবে। যুদ্ধ থামানো যাবে না। সাহায্য চাইতে হবে আল্লাহর কাছে। নিজের দূর্বলতার কথা তাঁকেই খুলে বলতে হবে।
.
অবিরাম সিজদাতে আর দু’আতে বলতে হবে আল্লাহকেই। বলতে হবে ঘরে এবং রাস্তাতে।
.
সাহায্যতো কেবলমাত্র আমাদের পালনকর্তা আল্লাহর কাছ হতেই আসে। পিছনে ভয়ংকর ফেরাউনের সুসজ্জিত আর্মির আক্রমণের সময়ে সাগারের বুকে মুসা আলাইহিসসালামের লাঠির আঘাত টা ছিলো চেষ্টা। মনে রাখতে হবে, সমুদ্রকে একমাত্র আল্লাহই তাঁর বান্দার সাহায্যার্থে দুইভাগে ভাগ করে দিয়েছিলেন।
.
চেষ্টা করলে সাহায্য আসবেই।

Advertisements

About মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর

আমি মুহাম্মাদ তোয়াহা আকবর। একাডেমিক পরিচয়ে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন বায়োটেকনোলজিস্ট। আগ্রহ বিজ্ঞানে এবং গবেষণায়। তারচেয়েও বেশি পড়ানোয়। নৈতিক এবং আদর্শিক জীবনে একজন মনেপ্রাণে মুসলিম। নাস্তিকতা ছেড়ে আল্লাহ সুবহানাহুওয়াতা’আলার অশেষ করুণা আর দয়ায় ইসলামের আলো চিনে এ পথে আসতে পেরেছি ২০১২ তে। এখন শিখছি। আরো বহু দূর পথ পাড়ি দিতে হবে জানি। অনন্তের জীবনের পাথেয় কুড়োতে বড্ড দেরী করে ফেলা একজন দূর্ভাগা হিসেবে নয়, বাঁচতে চাই সোনালি দিন গড়ার প্রত্যয়ে। ক্ষণিকের বালুবেলায় যে কটা মুক্তো কুড়োতে পারি সেই তো আমার লাভের খাতার শব্দমালা। হাঁটার পথে একটা দুটো মুক্তোর কথা, উপলব্ধির কথা লিখবো বলে এখানে পতাকা পুঁতেছি। আমি থাকবোনা একদিন। আমার খুঁজে পাওয়া কিছু মুক্তো হয়তো থেকে যাবে জন্ম থেকে জন্মান্তরে। হয়তো হবে কারো আলোর মশাল। আর সে আগুন ছড়িয়ে যাবে সবখানে।
This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s